News Image

ঢাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে আট জোনে বিভক্ত করার পরিকল্পনা সরকারের

রাজধানীর যানজট ও দুর্ঘটনা রোধে নতুন নীতিমালা রাজধানীর অলিগলি থেকে শুরু করে প্রধান সড়ক পর্যন্ত দাপিয়ে বেড়ানো ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার লাগাম টানতে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। ঢাকা শহরকে আটটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক জোনে ভাগ করে এই রিকশাগুলোর চলাচল নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এক জোনের নিবন্ধিত রিকশা অন্য জোনে প্রবেশ করতে পারবে না এবং প্রতিটি জোনের রিকশার জন্য আলাদা রং, ডিজিটাল নম্বর প্লেট ও কিউআর কোড বাধ্যতামূলক করা হবে। অনিয়ন্ত্রিত অটোরিকশার দৌরাত্ম্য বর্তমানে ঢাকা শহরে অন্তত ১০ থেকে ১৫ লাখ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছে, যার কোনোটিরই বৈধ নিবন্ধন নেই। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা এসব রিকশা ট্রাফিক আইন অমান্য করে উল্টোপথে চলাচল, সিগন্যাল অমান্য করা এবং ভিআইপি সড়কে চলাচলের কারণে জনদুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলেছে। এছাড়া, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে রিকশা চার্জ করায় বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ অপচয় ও রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও প্রশাসনিক সমন্বয়ের অভাবেই এসব যান নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। নীতিমালার মূল দিকসমূহ সরকারের নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি এলাকার ধারণক্ষমতা অনুযায়ী রিকশার সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে। অবৈধ গ্যারেজে বিদ্যুৎ চুরির প্রবণতা বন্ধ করতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সহায়তায় পরিবেশবান্ধব সোলার চার্জিং হাব স্থাপন করা হবে। এছাড়া, বুয়েটের মাধ্যমে যানবাহনের মান যাচাই করে সার্টিফিকেট প্রদান এবং চালকদের প্রশিক্ষণের বিষয়টিও নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, যানবাহনের মান, কারিগরি সক্ষমতা এবং চলাচলের সীমা নির্ধারণে দ্রুত নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে

১৬ দিন আগে
News Image

যথাযোগ্য মর্যাদায় সারাদেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত

সারাদেশে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ ১২ই রবিউল আউয়াল, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। বিশ্বমানবতার মুক্তির দূত হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিবস উপলক্ষে দিনটি মুসলিম উম্মাহর কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দিবসটি উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পবিত্র এই দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালনের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল, রচনা প্রতিযোগিতা এবং জশনে জুলুস বা র‌্যালি। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি মহানবী (সা.)-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে শান্তি, ন্যায় ও মানবিকতার ভিত্তিতে একটি সমাজ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাণীতে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও কর্মকে সমগ্র মানবজাতির জন্য চিরন্তন পথনির্দেশ হিসেবে উল্লেখ করে ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রীয় জীবনে তার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান। এছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীও দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন। জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠানমালা রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পক্ষকালব্যাপী সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সারসহ দেশের বিশিষ্ট আলেম-ওলামা ও পীর-মাশায়েখরা উপস্থিত ছিলেন। মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ ইতিহাসের পাতায় মহানব

১৬ দিন আগে
News Image

সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও অভিযান সত্ত্বেও রাজধানীতে বাড়ছে অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দৌরাত্ম্য

রাজধানীতে অবৈধ অটোরিকশার বিস্তার: সরকারের ঘোষণা, পুলিশের নিয়মিত অভিযান এবং বিভিন্ন বিধিনিষেধ সত্ত্বেও রাজধানীজুড়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও অবৈধ চার্জিং পয়েন্টের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। পাড়া-মহল্লার অলিগলিতে গড়ে ওঠা ওয়ার্কশপ ও গ্যারেজে প্রকাশ্যে তৈরি হচ্ছে এসব যান। কোনো প্রকার নিয়ন্ত্রণ না থাকায় প্রতিদিনই সড়কে যুক্ত হচ্ছে শত শত নতুন অটোরিকশা, যা যানজট ও বিদ্যুৎ অপচয়ের পাশাপাশি জননিরাপত্তার জন্য জটিল পরিস্থিতি তৈরি করছে। উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থা: হাজারীবাগ, রায়েরবাজার, গাবতলীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, লেদ মেশিনের সাহায্যে বিশেষ বডি তৈরি করে মোটর ও ইলেকট্রনিক পার্টস সংযোজনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ অটোরিকশা তৈরি করা হচ্ছে। নৌকা, পালকি ও মিশুক মডেলের এসব অটোরিকশা ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয় ওয়ার্কশপ মালিকদের দাবি, স্বল্প আয়ের মানুষের কাছে এসব যানের চাহিদা ব্যাপক হওয়ায় উৎপাদন প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। শুধু ঢাকা নয়, এখান থেকে ট্রাকভরে অটোরিকশা দেশের বিভিন্ন জেলা ও গ্রামেও পাঠানো হচ্ছে। বিদ্যুৎ অপচয় ও অবৈধ চার্জিং স্টেশন: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে ৪৮ হাজার ১৩৬টি অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট এবং ৯৯২টি গ্যারেজ রয়েছে। মিরপুর, ওয়ারী, গুলশানসহ বিভিন্ন ডিভিশনে এসব গ্যারেজের সংখ্যা উদ্বেগজনক। প্রতিটি গ্যারেজে প্রতিদিন ৮০ থেকে ১৫০টি রিকশা চার্জ দেওয়া হয়। একটি রিকশার ব্যাটারি চার্জ করতে ৬ থেকে ৮ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়। ফলে জাতীয় গ্রিড থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ অবৈধভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যদিও মন্ত্রণালয় থেকে ৩ হাজার ৩০০টি চার্জিং স্টেশনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে অবৈধ স্টেশনের সংখ্যা তা

১৬ দিন আগে

৯ বছরেও শেষ হয়নি ১০ সরকারি স্কুল নির্মাণ প্রকল্প, ব্যয় বেড়েছে ১৩০ কোটি টাকা

News Image

প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতা ও ব্যয় বৃদ্ধি: ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় ১০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও প্রকল্পের কাজ শেষ হয়নি। ২০১৭ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের মেয়াদ তিন বছর থেকে বাড়িয়ে এখন ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। মূল অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় প্রকল্পের ব্যয় প্রায় ১৩০ কোটি ২৮ লাখ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকায়। চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত প্রকল্পে ৪৪৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয় হলেও এখনো তিনটি বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ শুরুই করা সম্ভব হয়নি। নির্মাণকাজের বর্তমান অবস্থা: প্রকল্পের আওতায় ১০টি স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণের কথা থাকলেও কোনোটিরই নির্মাণকাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়নি। এর মধ্যে চারটি ভবনের অগ্রগতি ৮৮ থেকে ৯৩ শতাংশ, দুটির অগ্রগতি ৩০ থেকে ৩৩ শতাংশ এবং একটির অগ্রগতি মাত্র ১০ শতাংশ। বাকি তিনটি বিদ্যালয়ের (পূর্বাচল, পূর্ব-নরসিংহপুর ও খিলক্ষেত) নির্মাণকাজ এখনো শুরু হয়নি। জমি সংক্রান্ত জটিলতা, কবরস্থান নিয়ে বিরোধ এবং দরপত্র মূল্যায়নের ধীরগতির কারণে এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের কাজ আটকে আছে বলে জানা গেছে। ব্যর্থতার কারণ: সমীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রকল্প গ্রহণের আগে যথাযথ সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) না করায় জমি নির্বাচন, মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতা ও মামলা মোকদ্দমার মতো সমস্যাগুলো আগেভাগে চিহ্নিত করা যায়নি। এছাড়া কোভিড-১৯ মহামারি, ভবনের নকশা পরিবর্তন, রেট শিডিউলের অসামঞ্জস্যতা এবং সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রকল্প পরিচালক প্রফেসর ড. মীর জাহিদা নাজনীন জানান, ২০১৪ সালের রেট শিডিউল অনুযায়ী ডিপিপি তৈরি হলেও পরবর্তীতে নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি এবং বিল্ডিং কোড পরিবর্তনের কারণে ব্যয় বেড়

১৬ দিন আগে

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের আগ্রহ ও ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ

News Image

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের ইতিবাচক আগ্রহ সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নিয়ে কূটনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এই জোটে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়ে সরকার ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সোমবার এক ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে কোনো নিরাপত্তা চুক্তি হলে সেখানে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ অস্বাভাবিক নয় এবং বিষয়টি ইতিবাচকভাবেই দেখা হচ্ছে। চুক্তির প্রেক্ষাপট ও প্রকৃতি গত ৭ই আগস্ট মক্কার মসজিদুল হারাম প্রাঙ্গণে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এবং তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান এই ঐতিহাসিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তির শর্তানুসারে, জোটভুক্ত কোনো দেশ সামরিক হামলার শিকার হলে তা সকল দেশের ওপর হামলা বলে গণ্য হবে এবং সম্মিলিত প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। পাকিস্তান ও তুরস্কের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই চুক্তি কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয় এবং এটি জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের সঙ্গে ধারণাগত মিল থাকলেও, প্রকাশিত নথিতে সেনা বা অস্ত্র মোতায়েনের মতো বিস্তারিত সামরিক বাধ্যবাধকতার উল্লেখ নেই। ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব ও ভারতের অবস্থান এই চুক্তিতে ন্যাটোর সদস্য তুরস্কের অন্তর্ভুক্তি এবং পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানের উপস্থিতি জোটটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে এই চুক্তি নিয়ে সরাসরি উদ্বেগ প্রকাশ করা না হলেও, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছ

১৬ দিন আগে

বোনাস বৈষম্য নিয়ে স্যামসাংয়ের দুই বিভাগে তীব্র অসন্তোষ ও বিভাজন

News Image

বোনাস নিয়ে স্যামসাংয়ের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি জায়ান্ট স্যামসাং ইলেকট্রনিকসে সেমিকন্ডাক্টর এবং স্মার্টফোন বিভাগের কর্মীদের বোনাসের বিশাল ব্যবধানকে কেন্দ্র করে তীব্র অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও বিভাজন তৈরি হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-চালিত চিপের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে সেমিকন্ডাক্টর বিভাগের মুনাফা বহুগুণ বাড়লেও, স্মার্টফোন বিভাগ প্রথমবারের মতো পরিচালন লোকসানের মুখে পড়ায় এই বৈষম্যের সৃষ্টি হয়েছে। বোনাসে ১০০ গুণ ব্যবধান চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে সেমিকন্ডাক্টর বিভাগের পরিচালন মুনাফা আগের বছরের তুলনায় ২২৩ গুণ বেড়ে ৮৯ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ওনে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে এই বিভাগের কর্মীদের বার্ষিক বোনাস স্মার্টফোন ও গৃহস্থালি পণ্য বিভাগের কর্মীদের তুলনায় প্রায় ১০০ গুণ বেশি হতে যাচ্ছে। এই বিশাল ব্যবধানের কারণে ডিজিটাল এক্সপেরিয়েন্স (ডিএক্স) বিভাগের কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ডিএক্স বিভাগের শ্রমিক ইউনিয়নের জ্যেষ্ঠ নেতাদের মতে, এই বৈষম্য কর্মীদের মনোবল ভেঙে দিতে পারে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় গত দুই মাসে এই ইউনিয়নের সদস্যসংখ্যা ২ হাজার থেকে বেড়ে ৩০ হাজারে পৌঁছেছে। অতীতের অবদান ও বর্তমান সংকট স্মার্টফোন বিভাগের কর্মীদের দাবি, ২০২৩ সালে যখন চিপ ব্যবসা লোকসানে ছিল, তখন স্মার্টফোন বিভাগের আয়ই কোম্পানিকে টিকিয়ে রাখতে মূল ভূমিকা পালন করেছিল। বর্তমানে মেমোরি চিপের দাম বাড়ায় স্মার্টফোন বিভাগের উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভাগটি লোকসানে পড়েছে। স্যামসাংয়ের কঠোর কর্মদক্ষতাভিত্তিক পুরস্কারনীতিই মূলত এই দুই বিভাগের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের অবস্থান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্যামসাংয়ের চেয়ারম্যান লি জে-ইয়ং সম্প্রতি কর্মী ও ইউনিয়ন সদস্যদের ‘এক পরিবা

১৬ দিন আগে

সাংগঠনিক পুনর্গঠনে মনোযোগ বিএনপির, ডিসেম্বরে কাউন্সিলের তোড়জোড়

News Image

ডিসেম্বরে কাউন্সিলের প্রস্তুতি দীর্ঘ দুই দশক পর ক্ষমতায় আসার পর সরকারি কর্মকাণ্ডে ব্যস্ততার কারণে সাংগঠনিক কাজে কিছুটা ভাটা পড়লেও, এবার দল গোছানোর দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে বিএনপি। চলতি বছরের ডিসেম্বর কিংবা আগামী বছরের শুরুতে জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের পরিকল্পনা করছে দলটি। যদিও বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, তবে এখনো কাউন্সিলের সুনির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, তারিখ চূড়ান্ত না হলেও খুব শিগগিরই কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। তৃণমূলের মতামতে নতুন নেতৃত্ব আসন্ন কাউন্সিলে কেন্দ্র থেকে নেতৃত্ব চাপিয়ে দেওয়ার প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে আসার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে ত্যাগী, যোগ্য, তরুণ ও মেধাবী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সরকার ও দলকে আলাদা করার অংশ হিসেবে সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, কারণ এমপি-মন্ত্রী হওয়ার পর অনেক নেতার সাংগঠনিক কার্যক্রমে মনোযোগ কমেছে বলে তৃণমূলের ধারণা। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ফেরাতে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকরা এরই মধ্যে কমিটি পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছেন। এছাড়া দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়মিত গুলশান কার্যালয়ে এবং বিভিন্ন জেলা সফরে নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে সাংগঠনিক দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। মহাসচিব পদ নিয়ে জল্পনা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রেসিডেন্ট পদে আসীন হওয়ায় বিএনপির মহাসচিব পদটি বর্তমানে শূন্য রয়েছে এবং রুহুল কবির রিজভী ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জাতীয় কাউন্সিলে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব নিয়োগের বিষয়টি এখন দলের ভেতরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। এ পদে স

১৬ দিন আগে

হরমুজ প্রণালির সব মাইন অপসারণের দাবি ট্রাম্পের, নতুন মাইন পাতলে ধ্বংসের হুঁশিয়ারি

News Image

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালিতে পেতে রাখা সব মাইন অপসারণ বা ধ্বংস করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি ইরান কার্যত বন্ধ করে রেখেছে। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এখন থেকে যদি নতুন করে কোনো মাইন স্থাপনের চেষ্টা করা হয়, তবে তা তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করা হবে। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, ইরানকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, কোনো জাহাজ বা নৌযান মাইন স্থাপনের চেষ্টা করলে তা ‘তাৎক্ষণিক ও পরিকল্পিতভাবে’ ধ্বংস করা হবে। তবে এই বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তেল সরবরাহ ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। যুদ্ধের আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হতো। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধের সূচনা হয়। এরপর থেকেই এই প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ইরান দাবি করছে, তাদের অনুমতি ছাড়া কোনো নৌযান এই জলপথ অতিক্রম করলে তারা গুলি চালাবে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এই পথকে আন্তর্জাতিক নৌপথ হিসেবে গণ্য করে অবাধ চলাচলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ব্যর্থ সমঝোতা ও নতুন নিষেধাজ্ঞা এর আগে জুন মাসে হরমুজ প্রণালি নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ৬০ দিনের সময়সীমা সম্বলিত একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। তবে সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর আলোচনা ভেঙে পড়ে। বর্তমানে ইরান প্রণালিটির ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি জ

১৬ দিন আগে

জোট থেকে এনসিপির বেরিয়ে যাওয়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন জামায়াত আমির

News Image

জোটের অখণ্ডতা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে শফিকুর রহমানের মন্তব্য জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) বেরিয়ে যেতে পারে বলে যে আলোচনা চলছে, তা ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “যার বাড়িতে বিয়ে তার কোনো ঠেকা নেই, আর পাড়াপড়শির ঘুম নেই—বিষয়টি অনেকটা সেরকম।” তিনি স্পষ্ট করেন যে, এটি এনসিপি বা জামায়াত—কারও এজেন্ডাতেই নেই। শফিকুর রহমান জানান, তাদের এই ঐক্য কোনো আনুষ্ঠানিক জোট নয়, বরং একটি নির্বাচনী ঐক্য। জনগণের স্বার্থে তারা রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। জোট রাজনীতির দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতেও বিভিন্ন সময় জোটের আকার পরিবর্তিত হয়েছে, তবে গণতন্ত্রে প্রতিটি দলের নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম বেছে নেওয়ার অধিকার রয়েছে। তিনি দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এই ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ছায়া মন্ত্রিসভা ও বিরোধী দলের অধিকার ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের বিষয়ে জামায়াত আমির জানান, এ নিয়ে তারা কাজ শুরু করেছেন। এতে শরিক দলের পাশাপাশি দেশ-বিদেশে অবস্থানরত যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের যুক্ত করা হবে। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন যে, সংসদ ও সংসদের বাইরে বিরোধী দল তাদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের তুলনায় বিরোধী দলের আসনের বরাদ্দ অত্যন্ত নগণ্য বলে তিনি মন্তব্য করেন। এছাড়া, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের বিরোধী দলের আসনে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার সাংবিধানিক ভিত্তি নেই বলেও তিনি সমালোচনা করেন। গণভোটের রায় ও বর্তমান সংকট গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করার জন্য বর্তমান সরক

১৬ দিন আগে

রংপুরে চার হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ডিবিতে হস্তান্তর, ধর্ষণের আলামত নিয়ে বিতর্ক

News Image

রংপুর ব্যুরো: রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় তদন্তের ভার কোতোয়ালি থানা থেকে গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে। নতুন তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে ডিবির পরিদর্শক জিনাত আলী দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এদিকে, ময়নাতদন্তের সময় ধর্ষণের আলামত পাওয়ার বিষয়ে হাসপাতালের ডোম এবং চিকিৎসক ও পুলিশের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি একটি বেসরকারি গণমাধ্যমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডোম জয়তুনের একটি গোপন ভিডিও প্রচার হয়। সেখানে তিনি দাবি করেন, ময়নাতদন্তের সময় আগামী চক্রবর্তীর দেহ থেকে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গিয়েছিল এবং চিকিৎসক তাকে বিষয়টি গোপন রাখতে বলেছিলেন। তবে এই দাবি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের ইনচার্জ ডা. বাবলু কিশোর বিশ্বাস। তিনি জানান, মাইক্রোবায়োলজিতে পাঠানো সোয়াব পরীক্ষায় ধর্ষণের কোনো প্রমাণ মেলেনি। একই সুর শোনা গেছে মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তীর কণ্ঠেও। তিনিও স্পষ্ট করেছেন যে, তদন্তে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দিতে তারা জানায়, ঘটনার রাতে তারা ইয়াবা সেবন করে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে অবস্থান করছিল। সকালে গণপতি চক্রবর্তী তাদের দেখে ফেলায় মান-সম্মানের ভয়ে তারা তাকে গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর একে একে গণপতির স্ত্রী প্রীতিলতা, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং প্রিয়মকে শ্বাসরোধ ও বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে তারা। সিসি ক্যামেরা বন্ধ করতে তারা বিদ্যুতের লাইনও বিচ্ছিন্ন করেছিল। এদিকে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্

১৬ দিন আগে

প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করতে চীন থেকে যুদ্ধবিমান কিনছে বাংলাদেশ

News Image

চীন থেকে আধুনিক যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগ দেশের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে চীন থেকে আধুনিক যুদ্ধবিমানসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম কেনার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি-বিষয়ক এবং তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত নতুন পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষানীতির অংশ হিসেবেই এই সামরিক কেনাকাটায় মনোযোগী হয়েছে সরকার। রাজধানীর পিআইডি সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা জানান, চতুর্থ প্রজন্মের মাল্টিরোল কম্বেট এয়ারক্রাফট (এমআরসিএ) জে-১০সিই, অ্যাটাক হেলিকপ্টার (১১২৯), ভিআইপি হেলিকপ্টার এবং ইউএভি সিস্টেম কেনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এর মধ্যে জে-১০সিই ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কেনার জন্য খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করে অনুমোদনের জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। চলতি বাজেট থেকে বরাদ্দ সাপেক্ষে এই কেনাকাটা সম্পন্ন হবে, অন্যথায় তা পরবর্তী বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। চীনের তৈরি যুদ্ধবিমানের কার্যকারিতা ও তুলনামূলক কম মূল্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সহায়তা দেশে চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, বিশ্ববাজারে এলএনজির উচ্চমূল্যের কারণে বর্তমানে এক থেকে দুই হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হচ্ছে। শিল্পোদ্যোক্তাদের সহায়তার লক্ষ্যে গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল এককালীন পরিশোধের পরিবর্তে ১২ মাসে পরিশোধের সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। এছাড়া ভোলার গ্যাস ব্যবহারের জন্য পাইপলাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন হয়েছে এবং কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অন্যান্য নীতিগত সিদ্ধান্ত সংবাদ সম্মেল

১৬ দিন আগে