আন্তর্জাতিক

News Image

এত প্রতিশ্রুতি, কী করে পূরণ করবেন থালাপতি বিজয়

চেন্নাইয়ে রাজ্যপালের সামনে গত ১০ মে শপথ নেওয়ার সময় জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখরের চোখে যে দৃঢ়তা ছিল, তা তামিলনাড়ুর কোটি কোটি মানুষের চেনা। ভক্তকুলের কাছে তিনি ‘থালাপতি’ নামেই পরিচিত। তামিল ভাষায় শব্দটির অর্থ কমান্ডার বা সেনাপতি। বছরের পর বছর ধরে এই অভিনেতাকে সিনেমার পর্দায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়তে দেখেছেন তাঁরা। সেই ‘থালাপতি’ বিজয় এখন তামিলনাড়ুর নবম মুখ্যমন্ত্রী। তবে শপথ নেওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বিজয়ের সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের চাপে পড়েছে। কৃষকেরা রাস্তায় নেমেছেন, বিদ্যুৎ ভর্তুকি নিয়ে বিতর্ক উঠেছে এবং সামনে এসে দাঁড়িয়েছে রাজ্যের বিশাল ঋণের বোঝা। এসব দেখে অনেকেই সন্দিহান—সত্যিই কি প্রতিশ্রুতির ভার বহন করতে পারবেন থালাপতি বিজয়? রুপালি পর্দা থেকে ক্ষমতার মসনদে ১৯৭৪ সালের ২২ জুন চেন্নাইয়ে জন্ম নেওয়া বিজয় চলচ্চিত্র পরিচালক এস এ চন্দ্রশেখরের ছেলে। লয়োলা কলেজ ছেড়ে সরাসরি অভিনয়ে মনোযোগ দেন তিনি। একপর্যায়ে হয়ে ওঠেন তামিল সিনেমার সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেতাদের একজন। ২০২৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি ‘তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম’ (টিভিকে) নামের রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন। মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে ২০২৬ সালের ৪ মে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ২৩৪ আসনের বিধানসভায় ১০৮টি আসন জিতে তাঁর দল একক বৃহত্তম শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়। তামিলনাড়ুতে রুপালি পর্দার তারকাদের রাজনীতিতে আসা নতুন কোনো ঘটনা নয়। এম জি রামচন্দ্রন (এমজিআর) ১৯৭৭ সাল থেকে টানা ১০ বছর মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর ছায়া থেকে বেরিয়ে রেকর্ড পাঁচবারের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন সত্তরের দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়ললিতা। কিন্তু থালাপতি বিজয়ের জয়কে কেবল সেই পুরোনো ধারার পুনরাবৃত্তি ভাবলে ভুল হবে। এমজিআর বা জয়ললিতা প্রতিষ্ঠিত দলের কাঠামো ব্যবহার করে উঠে

11 Jun 2026, 12:58 AM
News Image

হেগসেথকে নিয়ে কেন পেন্টাগনে আতঙ্ক, কেন তাঁকে নিয়ে অস্বস্তিতে কর্মকর্তারা

সময়টা ছিল এপ্রিলের শুরু। মার্কিন সেনাপ্রধান জেনারেল র্যান্ডি জর্জ সিদ্ধান্ত নিলেন, তাঁর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তথা প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সময় এসেছে। জেনারেল জর্জ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে বিশেষ আগ্রহী ছিলেন। কারণ, বেশ কিছু বিষয়ে পেন্টাগনপ্রধান সরাসরি সেনা কর্মকর্তাদের কর্মজীবনে হস্তক্ষেপ করছিলেন। এর মধ্যে একটি ঘটনায় হেগসেথ নিজে উদ্যোগী হয়ে চারজন কর্নেলকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে পদোন্নতি আটকে দেন। কয়েক মাস ধরেই হেগসেথকে সেনাবাহিনী ও জেনারেল জর্জসহ এর শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর ক্রমশ অসন্তুষ্ট হতে দেখা যাচ্ছিল। সেনাপ্রধানের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো সিএনএনকে জানায়, এই অসন্তোষের কারণ তাঁদের কাছে রহস্যময় ঠেকছিল। কারণ, হেগসেথের মেয়াদে তাঁর সঙ্গে জেনারেল জর্জের যোগাযোগ ছিল খুবই সীমিত। এমনকি পদোন্নতি আটকে দেওয়ার আগেও তাঁদের মধ্যে তেমন কোনো আলাপ হয়নি। সূত্রগুলোর মতে, এই ঘটনাটি হেগসেথের একটি নির্দিষ্ট কার্যপদ্ধতির সঙ্গেই মিলে যায়—যেখানে সব তথ্য তাঁর দপ্তরের মধ্যেই কঠোর গোপনীয়তায় রাখা হতো এবং পেন্টাগন নিয়ে তাঁর পরিকল্পনা কী, তা বাইরের খুব কম মানুষই জানতে পারতেন। হেগসেথ তাঁর চারপাশের অনেককেই তীব্র অবিশ্বাস করতেন। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছিল, সামরিক অভিযান সম্পর্কে জানতে কিছু সেনাকে গোপনীয়তা রক্ষার চুক্তিতে (এনডিএ) স্বাক্ষর করতে হতো এবং পেন্টাগনে মিথ্যা শনাক্তকরণ পরীক্ষা বা ‘পলিগ্রাফ টেস্ট’ নিয়মিত বিষয়ে পরিণত হয়েছিল। জেনারেল জর্জ হেগসেথের সঙ্গে এই টানাপোড়েন কিছুটা কমাতে চেয়েছিলেন। তাই ১ এপ্রিল তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর অগ্রাধিকারের তালিকায় থাকা প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম উন্নয়ন এবং এগুলো অর্জনে সেনাবাহিনী কীভাবে কাজ করছে, তা নিয়ে আলোচনার জন্য একটি বৈঠকের অনুরোধ করেন। পেন্টাগন ও মা

10 Jun 2026, 09:00 PM
News Image

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত ও ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলা

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত ও পরবর্তী সংঘাত ওমান উপকূলের হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি এএইচ-৬৪ অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গত সোমবার নিয়মিত টহলের সময় হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, একটি ইরানি ড্রোন হেলিকপ্টারটিতে আঘাত করলে সেটি বিধ্বস্ত হয়। তবে ঘটনাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কি না, তা তদন্তাধীন। হেলিকপ্টারের দুই ক্রু সদস্যকে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি সারফেস ড্রোন (ডুবোযান) ব্যবহার করে দুই ঘণ্টার মধ্যে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। পাল্টাপাল্টি সামরিক অভিযান হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মার্কিন বাহিনী ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়। সেন্টকমের তথ্যমতে, ইরানের প্রায় ২০টি নিশানায় এই হামলা চালানো হয়, যার মধ্যে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও রাডার সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর জবাবে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহর, কুয়েত এবং জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিসহ মোট ২১টি মার্কিন স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। জর্ডান ও কুয়েত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় ছিল এবং অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। এতে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ও কূটনৈতিক তৎপরতা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ইরান পারমাণবিক চুক্তি ও শান্তি আলোচনার ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনকে কালক্ষেপণের মাধ্যমে ধোঁকা দিচ্ছে। তিনি ইরানকে ‘

11 Jun 2026, 02:06 AM
News Image

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বিস্তার ও আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপট

ইরানের কৌশল ও আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়া ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এমন একটি কৌশল অনুসরণ করছেন যার লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম ও আঞ্চলিক দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের প্রভাব বলয় থেকে দূরে সরিয়ে আনা। পেজেশকিয়ানের দাবি, ইরানের শত্রুরা আরব ও মুসলিম দেশগুলোকে তেহরানের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করার যে চেষ্টা চালিয়েছিল, বর্তমান নেতৃত্বের কৌশলের কারণে তা ব্যর্থ হচ্ছে। জিসিসির তীব্র নিন্দা ও দায়ভার ইরানের এই কূটনৈতিক কৌশলের বিপরীতে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানের ওপর ইরানের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জিসিসি বলেছে, এসব হামলার সম্পূর্ণ দায়ভার তেহরানকেই নিতে হবে। সংস্থাটির মতে, এই হামলাগুলো আঞ্চলিক নিরাপত্তা, নৌ চলাচল এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর (বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত) নিরাপত্তা অবিচ্ছেদ্য উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর যেকোনো একটির ওপর হামলা মানে সবার ওপর হামলা। আন্তর্জাতিক আইন ও আত্মরক্ষার অধিকার জিসিসি এই হামলাগুলোকে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডের অখণ্ডতার ওপর আগ্রাসন হিসেবে অভিহিত করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ব্যক্তিগত ও সম্মিলিতভাবে আত্মরক্ষার বৈধ অধিকার রয়েছে। তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যেন এই হামলার নিন্দা জানানো হয় এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা হয়। ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান আরও জানান, ইরানের

10 Jun 2026, 10:20 PM

পারমাণবিক অস্ত্র ও বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতির আপডেট

News Image

ভারতে পারমাণবিক ওয়ারহেড মোতায়েন সুইডেনের প্রতিরক্ষা নজরদারি সংস্থা স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপ্রি)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত প্রথমবারের মতো ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড ‘মোতায়েন’ করেছে। এতদিন ভারত পারমাণবিক ওয়ারহেড এবং সেগুলোর ডেলিভারি সিস্টেম আলাদাভাবে সংরক্ষণ করে আসলেও, বর্তমান পদক্ষেপ দেশটির দীর্ঘদিনের পারমাণবিক নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সিপ্রি জানিয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১৯০টিতে দাঁড়িয়েছে। নতুন মোতায়েন করা এই ওয়ারহেডগুলো সম্ভবত ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো এবং পারমাণবিক সাবমেরিনভিত্তিক বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত। তবে ভারত এখনও তাদের ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ বা আগে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার না করার নীতিতে অটল রয়েছে। ভারত সরকার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। ইরানের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্প্রসারণ পরিকল্পনা আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই ইরান উপকূলীয় পাঁচটি স্থানে নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে। ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ ইসলামি জানিয়েছেন, ২০২২ সালের কৌশলগত নথির ভিত্তিতে এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হচ্ছে। বর্তমানে ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ইউনিটের নির্মাণকাজ চলছে। সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের মধ্যেও বুশেহর কেন্দ্রের কার্যক্রমে কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। বাংলাদেশ-রাশিয়া পারমাণবিক সহযোগিতা জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে পারমাণবিক খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মস্কোতে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন ‘রসাটম’-এর মহাপরিচালক আলেক্

10:20 PM

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: পাল্টাপাল্টি হামলা ও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের নতুন ঝুঁকি

News Image

সংঘাতের প্রেক্ষাপট ও বর্তমান পরিস্থিতি হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা তুঙ্গে পৌঁছেছে। এই ঘটনার জেরে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার স্থাপনা এবং স্থল নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, তারা বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি, জর্ডানে মার্কিন সেনা উপস্থিত বিমানঘাঁটি এবং কুয়েতের বিভিন্ন স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর কৌশল ও ব্যর্থতা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র পরিবর্তনের যে পরিকল্পনা করেছিলেন, তা বর্তমানে বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে। ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি দ্রুত চুক্তিতে পৌঁছানোর আশা করলেও, মাঠের বাস্তবতা ভিন্ন। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু ইরানের শাসনব্যবস্থার টিকে থাকার সক্ষমতাকে অবমূল্যায়ন করেছেন। ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন যে তিনি চুক্তির খুব কাছাকাছি আছেন—এমন দাবি তিনি গত কয়েক মাসে অন্তত ৩৭ বার করেছেন—কিন্তু বাস্তবে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা অর্জিত হয়নি। পাল্টাপাল্টি হামলা ও সামরিক ক্ষয়ক্ষতি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার ঘটনায় ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযান ছিল ‘সমানুপাতিক জবাব’। এই উদ্ধারকাজে মার্কিন নৌবাহিনী প্রথমবারের মতো ‘সারোনিক করসেয়ার’ নামক সি ড্রোন ব্যবহার করেছে। অন্যদিকে, ইরান দাবি করেছে যে মার্কিন হামলায় তাদের টেলিযোগাযোগ টাওয়

08:45 PM

জেফরি এপস্টিনের নেটওয়ার্ক ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে তোলপাড়

News Image

জেফরি এপস্টিনের নেটওয়ার্ক ও মডেলিং এজেন্টদের ভূমিকা যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ কর্তৃক যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টিনের বিশাল নথিপত্র প্রকাশের পর তাঁর কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নেটওয়ার্ক নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। নথিপত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কারাগার থেকে মুক্তির পর এপস্টিন রামসে এল্কহোলির মতো মডেলিং এজেন্টদের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন, যারা বিভিন্ন তরুণীকে প্রলোভন দেখিয়ে তাঁর কাছে নিয়ে আসত। এল্কহোলি স্বীকার করেছেন যে, তিনি এপস্টিনের সঙ্গে তরুণীদের পরিচয় করিয়ে দিতেন এবং এর বিনিময়ে নিজের ক্যারিয়ারের সুবিধা বা আর্থিক লাভের আশা করতেন। যদিও এল্কহোলি দাবি করেছেন যে, তিনি কোনো বেআইনি কাজ করেননি এবং অনেক ক্ষেত্রে ই-মেইলে করা দাবিগুলো ছিল অতিরঞ্জিত বা মিথ্যা, তবুও মডেল অ্যালায়েন্সের মতো সংস্থাগুলো এই মডেলিং এজেন্টদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়েছে। বিল গেটসের সঙ্গে সম্পর্ক ও কংগ্রেসের তদন্ত এপস্টিনের নথিপত্র প্রকাশের পর মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়েও ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে, বুধবার ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলে হাউস ওভারসাইট কমিটির রুদ্ধদ্বার শুনানিতে সাক্ষ্য দিয়েছেন বিল গেটস। তদন্তকারীরা মূলত এপস্টিনের সঙ্গে গেটসের ঘনিষ্ঠতার মাত্রা এবং প্রকাশিত কিছু বিতর্কিত ই-মেইল নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। ২০১৩ সালের কিছু খসড়া ই-মেইলে এপস্টিন দাবি করেছিলেন যে, তিনি গেটসকে তরুণীদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে সহায়তা করেছিলেন এবং ব্যক্তিগত গোপন তথ্য গোপন রাখতে সাহায্য করেছিলেন। অভিযোগের সত্যতা ও গেটসের অবস্থান বিল গেটস এপস্টিনের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন। তাঁর মুখপাত্র জানিয়েছেন, ই-মেইলগুলো এপস্টিনের নিজের লেখা এবং

09:43 PM

আধুনিক মোড়কে যৌতুক প্রথা: ভারতের বিয়ে শিল্পে লুকিয়ে থাকা এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা

News Image

বিয়ের জাঁকজমক ও যৌতুকের নতুন রূপ ভারতে বিয়ের বাজার বর্তমানে প্রায় ১০ থেকে ১৩ লাখ কোটি টাকার এক বিশাল শিল্পে পরিণত হয়েছে। নভেম্বর-ডিসেম্বরের বিয়ের মৌসুমে রাজকীয় ভেন্যু, ডিজাইনার পোশাক ও আলোকসজ্জার আড়ালে লুকিয়ে থাকছে এক প্রাচীন ব্যাধি—যৌতুক। আধুনিক সমাজে সরাসরি যৌতুক চাওয়ার পরিবর্তে একে এখন ‘উপহার’, ‘সম্মানসূচক নজরানা’ বা ‘মিলনি’র মতো গালভরা নামে আড়াল করা হচ্ছে। সমাজকর্মী ও সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, এটি মূলত একটি আদিম প্রথার আধুনিক ও কুৎসিত রূপান্তর মাত্র। অর্থনৈতিক বোঝা ও সামাজিক সমীকরণ সমীক্ষা অনুযায়ী, ভারতের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে একটি বিয়ের খরচ মেটাতে গড়ে ১৫ থেকে ১৬ লাখ রুপি পর্যন্ত ঋণের বোঝা টানতে হয়। এই খরচের একটি বড় অংশ ব্যয় হয় বরপক্ষকে দেওয়া সোনাদানা, দামি গাড়ি, ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী এবং নগদ টাকার পেছনে। সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, বরের পেশাগত যোগ্যতা বা ডিগ্রি অনুযায়ী তার একটি অলিখিত ‘রেট কার্ড’ তৈরি হয়। অন্যদিকে, কনের ক্ষেত্রে তথাকথিত সামাজিক মানদণ্ড বজায় রাখতে কনেপক্ষকে চড়া মূল্য দিতে বাধ্য করা হয়। এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এখন এই ‘উপহারের প্রদর্শনী’ আভিজাত্য জাহির করার মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যৌতুকের বলি ও আইনি সীমাবদ্ধতা যৌতুকের এই নিষ্ঠুর বাস্তবতার শিকার হয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন অসংখ্য নারী। ২০২৪ সালে ভারতে যৌতুক সংক্রান্ত সহিংসতার কারণে ৫ হাজার ৭৩৭ জন নারী প্রাণ হারিয়েছেন, যা দৈনিক গড়ে প্রায় ১৬ জন। সম্প্রতি ভোপালের তিষা শর্মার রহস্যজনক মৃত্যু এই ভয়াবহতাকে পুনরায় সামনে এনেছে; ময়নাতদন্তে তার মাথায় আঘাত ও রক্তক্ষরণের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের ইঙ্গিত দেয়। ১৯৬১ সালে ভারতে যৌতুক নিষিদ্ধ হলেও আইনের ফাঁকফোকর ও প্রমাণের অভাবে অপরাধীদের শাস্তির হার মাত্র ৩৩ শতাংশ। আই

05:17 PM