অর্থনীতি

News Image

জেট ফুয়েলের দাম বাড়ল লিটারে ১৭ টাকা ০৬ পয়সা

জেট ফুয়েলের নতুন দর ঘোষণা টানা তিন মাস ধরে ঊর্ধ্বমুখী ধারায় থাকা উড়োজাহাজের জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতি লিটারে ১৭ টাকা ০৬ পয়সা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮২ টাকা ৭১ পয়সা। আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) এই ঘোষণা দেওয়া হয় এবং আজ রাত ১২টা থেকেই নতুন এই মূল্য কার্যকর হবে। মূল্য নির্ধারণের প্রক্রিয়া কমিশনের আদেশে জানানো হয়েছে, গত ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত জেট এ-১ জ্বালানির প্লাটস রেটের গড় এবং একই সময়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) এলসি সেটেলমেন্টে ডলারের বিনিময় হার বিবেচনায় নিয়ে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া অক্টোবরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১ দশমিক ১৮৮২ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। পূর্ববর্তী দামের চিত্র চলতি বছরের মে মাস থেকে জুলাই পর্যন্ত জেট ফুয়েলের দাম কয়েক দফায় কমানো হয়েছিল। এর মধ্যে ৭ মে দাম ছিল ২০৫ টাকা ৪৫ পয়সা, ২৩ মে তা কমিয়ে ১৬৫ টাকা ৮৮ পয়সা, জুনে ১৫০ টাকা ২১ পয়সা এবং জুলাই মাসে ১৩০ টাকা ৯৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। তবে আগস্ট মাস থেকে চিত্র বদলাতে শুরু করে। আগস্টে লিটারে ২৮ টাকা ৫৩ পয়সা বাড়িয়ে ১৫৯ টাকা ৫২ পয়সা এবং সেপ্টেম্বরে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য তা ১৬৫ টাকা ৬৫ পয়সা করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় অক্টোবরে এসে দাম আরও বৃদ্ধি পেল।

২০ দিন আগে
News Image

ঢাকা, গাজীপুর ও রংপুর সিটির উন্নয়নসহ ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন

একনেক সভায় বড় অঙ্কের উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ঢাকা দক্ষিণ, রংপুর ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ মোট ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। বুধবার রাজধানীর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। সিটি করপোরেশনগুলোর উন্নয়ন পরিকল্পনা সিটি করপোরেশনগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নে ৫ হাজার ১৮৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নতুন ৫টি অঞ্চলের ১৮টি ওয়ার্ডে সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে, যেখানে দুই বছরের মধ্যে সমন্বিত পয়োনিষ্কাশন পরিকল্পনা (এসটিপি) যুক্ত করা হবে। এছাড়া রংপুর সিটি করপোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা পুনর্বাসন এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ৮ নম্বর জোনে সড়ক, নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও অন্যান্য প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্প বাস্তবায়নে বেশ কিছু কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো, কোনো অবকাঠামো নির্মাণের তিন বছরের মধ্যে সমস্যা দেখা দিলে ঠিকাদারকে নিজ খরচে তা মেরামত করতে হবে। এছাড়া ঢাকা দক্ষিণের প্রকল্পে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। রামপাল ৪৪২ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, ব্যাটারি ব্যাকআপ ৮ ঘণ্টা করার নির্দেশ দেওয়ায় প্রকল্পের ব্যয় কিছুটা বাড়তে পারে। অর্থায়ন ও অন্যান্য অনুমোদিত প্রকল্প অনুমোদিত ১৩টি প্রকল্পের জন্য সরকারের নিজস্ব তহবিল

২০ দিন আগে
News Image

চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেড়েছে ৫৭ শতাংশ

সঞ্চয়পত্রের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধি চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই ও আগস্ট) সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই বিক্রির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা। অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেড়েছে ৮৯১ কোটি টাকা বা প্রায় ৫৭ শতাংশ। মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জুলাই মাসে নিট বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৫৯ কোটি টাকা, যা আগের বছরের জুলাইয়ের তুলনায় প্রায় ৫৯ দশমিক ২ শতাংশ বেশি। আগস্ট মাসে নিট বিক্রির পরিমাণ ছিল ৪০৩ কোটি টাকা, যা আগের বছরের আগস্টের তুলনায় প্রায় ৪৫ শতাংশ বেশি। সামগ্রিক তথ্যে দেখা যায়, প্রথম দুই মাসের নিট বিনিয়োগের সিংহভাগই জুলাই মাসে অর্জিত হয়েছে। অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকসংশ্লিষ্টদের মতে, ব্যাংকিং খাতের বর্তমান অনিশ্চয়তা, আমানতের সুদহারের তুলনায় সঞ্চয়পত্রের আকর্ষণীয় মুনাফা এবং বাজারে বিনিয়োগের সীমিত বিকল্প এই প্রবৃদ্ধির মূল কারণ। উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে সাধারণ মানুষের সঞ্চয়ের সক্ষমতা কমলেও, মূলধনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সরকারি এই বিনিয়োগ মাধ্যমকেই বেছে নিচ্ছেন। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, ব্যাংকিং খাতে আস্থার ঘাটতি ও অস্থিরতার কারণে আমানতকারীরা নিরাপদ বিনিয়োগ খুঁজছেন। সঞ্চয়পত্রে মূলধন হারানোর ঝুঁকি না থাকা, সহজে নগদায়ন সুবিধা এবং তুলনামূলক ভালো মুনাফার কারণে বিনিয়োগকারীরা পুনরায় এই খাতের দিকে ঝুঁকছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

১৯ দিন আগে
News Image

সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৩৪ শতাংশ: জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: টানা দুই মাস কমার পর সেপ্টেম্বরে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে দেশের মূল্যস্ফীতি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশে। এর আগে আগস্ট ও জুলাই মাসে এই হার ছিল যথাক্রমে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। বিবিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৭ দশমিক ২২ শতাংশ হয়েছে, যা আগস্টে ছিল ৭ দশমিক ০২ শতাংশ। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি আগস্টের ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ থেকে সামান্য কমে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া সেপ্টেম্বর শেষে সর্বশেষ ১২ মাসের গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৬৫ শতাংশে। ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায়, শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা বেশি; গ্রামে ৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ এবং শহরে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ মূল্যস্ফীতি রেকর্ড করা হয়েছে। জীবনযাত্রায় প্রভাব ও মজুরি হার: মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতির ফলে সীমিত ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। বিবিএসের তথ্যমতে, সেপ্টেম্বরে জাতীয় গড় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৭ দশমিক ৯০ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৮ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির তুলনায় মজুরি বৃদ্ধির হার কম হওয়ায় সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় কমেছে, যার ফলে সংসার পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছেন অনেকে। বিশেষ করে পোশাক ও জুতা (১০.৩১%), রেস্তোরাঁ ও হোটেল (১৩.২৬%), বাসস্থান ও জ্বালানি (৯.৮১%) এবং পরিবহন (৯.৪৬%) খাতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল উল্লেখযোগ্য। জ্বালানি তেলের প্রভাব ও ভবিষ্যৎ শঙ্কা: গত ২১ সেপ্টেম্বর অকটেন, পেট্রল ও ডিজেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে পণ্য পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে শাকসবজি, মাছ ও

১৯ দিন আগে

রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের বেহাল দশা: অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে বড় লোকসান, ব্যতিক্রম বিএসইসি

News Image

রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক চিত্র শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অধিকাংশ রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছে। জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত শিল্প মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে উপস্থাপিত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি) এবং বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তবে এর বিপরীতে বাংলাদেশ স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন (বিএসইসি) মুনাফা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। বিএসএফআইসি ও বিসিআইসির লোকসানের চিত্র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিএসএফআইসির করোত্তর ক্ষতির পরিমাণ ৪৭৬ কোটি ৯৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। এর মধ্যে সংস্থাটির আওতাধীন ৯টি চিনিকলের মোট আয় ১ হাজার ১৯৬ কোটি ৮৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা হলেও ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৪২১ কোটি ৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। অন্যদিকে, বিসিআইসির ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নিট লোকসান হয়েছে ৩০০ কোটি ১১ লাখ টাকা, যেখানে আগের অর্থবছরে (২০২৪-২৫) তাদের লোকসানের পরিমাণ ছিল ৭৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। বিএসইসির মুনাফা ও সংসদীয় কমিটির পর্যবেক্ষণ বিপরীত চিত্র দেখা গেছে বিএসইসির ক্ষেত্রে। অডিট চলমান থাকা অবস্থায় সংস্থাটির মোট আয় ৭১১ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং ব্যয় ৬৬৬ কোটি ৭৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এতে তাদের করপূর্ব মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৪৫ কোটি ১৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা দীর্ঘদিন ধরে চলা এই লোকসানের বোঝা এবং ব্যাংকঋণের ভারে জর্জরিত প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংসদীয় কমিটি। কমিটির সদস্য আব্দুস সালাম আজাদ জানান, স্বাধীনতার পর থেকেই অধিকাংশ সরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান লোকসানের বোঝা বয়ে বেড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে আগামী ৫০ বছরেও কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া সম্ভব নয়।

১৯ দিন আগে

চলতি বছরের প্রথমার্ধে ব্যাংক খাতে সিএসআর ব্যয় কমেছে প্রায় ৪০ শতাংশ

News Image

সিএসআর ব্যয়: সব প্রধান খাতেই বড় পতন চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) দেশের ব্যাংক খাতে করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর (CSR) ব্যয়ের ক্ষেত্রে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে ব্যাংকগুলোর মোট সিএসআর ব্যয় ৩৯ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ১১৯ কোটি ৪ লাখ টাকায় নেমে এসেছে, যা আগের ছয় মাসে ছিল ১৯৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের লাগামহীন বৃদ্ধি এবং এর ফলে মুনাফার ওপর তৈরি হওয়া চাপই এই ব্যয় হ্রাসের অন্যতম প্রধান কারণ। প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সিএসআর ব্যয়ের প্রধান খাতগুলোতে বড় ধরনের পতন হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যয় কমেছে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রশমন-অভিযোজন খাতে, যা আগের তুলনায় ৫৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া শিক্ষা খাতে ৪৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং স্বাস্থ্য খাতে ৩৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ ব্যয় কমেছে। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ 'অন্যান্য' খাতে ব্যয় ৩ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যাংকের ধরনভেদে সিএসআর ব্যয়ে বড় ব্যবধান পরিলক্ষিত হয়েছে। দেশের ৪৩টি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে ৩৩টি ব্যাংক ১০৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয় করেছে, যা মোট ব্যয়ের ৮৭ দশমিক ১১ শতাংশ। এছাড়া বিদেশি ব্যাংকগুলো ১০ দশমিক ৮৫ শতাংশ, রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো ১ দশমিক ৯৪ শতাংশ এবং বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ ব্যয় করেছে। ব্যয়কারী ব্যাংকগুলোর মধ্যে তালিকার শীর্ষে রয়েছে ঢাকা ব্যাংক, যারা এই সময়ে ১২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয় করেছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক (১১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা) এবং শাহ্‌জালাল ইসলামী ব্যাংক (১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা)।

১৯ দিন আগে

বছরে শ্রমবাজারে ২০ লাখ মানুষের প্রবেশ, কর্মসংস্থান মাত্র ৯ লাখ

News Image

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হলেও সেই তুলনায় কর্মসংস্থান বাড়েনি। ২০১৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর গড়ে প্রায় ২০ লাখ মানুষ শ্রমবাজারে প্রবেশ করলেও নতুন কাজের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে মাত্র ৯ লাখ। বিশ্বব্যাংকের ‘বাংলাদেশ উন্নয়ন হালনাগাদ ২০২৬’ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন কাজের প্রতি ১০টির মধ্যে ৭টিই তৈরি হয়েছে কৃষিখাতে, অথচ শিল্প খাতে কর্মসংস্থান বরং কমেছে। উৎপাদনশীলতায় বৈপরীত্য ও কেন্দ্রীভূত সুবিধা প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ‘উৎপাদনশীলতার বৈপরীত্য’ চিহ্নিত করা হয়েছে। দেশের উৎপাদন ও সেবা খাতের কর্মীপ্রতি আয় দক্ষিণ এশিয়ার মানদণ্ডের তুলনায় মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব প্রতিষ্ঠানের কাছে সমানভাবে পৌঁছাচ্ছে না। শীর্ষ ১০ শতাংশ ‘ফ্রন্টিয়ার’ প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিক খাতের মোট বিক্রয় আয়ের ৭৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করলেও কর্মসংস্থানে তাদের অবদান মাত্র ১৫ শতাংশ। এছাড়া রপ্তানি আয়ের প্রায় ৬৯ শতাংশই এখন অল্প কিছু প্রতিষ্ঠানের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়েছে। ব্যবসা প্রসারে কাঠামোগত বাধা নতুন ও ছোট প্রতিষ্ঠানের বড় হওয়ার পথে প্রধান বাধা হিসেবে জটিল সরকারি প্রক্রিয়া, অর্থায়নের অভাব, বিদ্যুৎ-সংকট এবং অসম প্রতিযোগিতাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপকদের কাজের সময়ের গড়ে ১৩ শতাংশ ব্যয় হয় সরকারি নিয়মকানুন সামলাতে। এছাড়া ৭১ শতাংশ প্রতিষ্ঠান নিয়মিত বিদ্যুৎ-বিভ্রাটের শিকার হচ্ছে, যা তাদের বার্ষিক বিক্রির প্রায় ৯ শতাংশ ক্ষতি করছে। একটি ব্যবসায়িক লাইসেন্স পেতে গড়ে ২৮ দিন এবং নির্মাণ বা আমদানি অনুমোদনে ৪৯ দিন সময় লাগে, যা প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। সংস্কারের সুপারিশ বিশ্বব্যাংক এই পরিস্থিতি উত্তরণে ‘স্মার্ট ডিরে

২০ দিন আগে

৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র ও ৩০টি লোকোমোটিভ সংগ্রহের প্রস্তাব আজ একনেকে

News Image

একনেক সভায় ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার একটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণসহ মোট ১৩টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য আজ বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উত্থাপন করা হচ্ছে। সচিবালয়ে অনুষ্ঠেয় এই সভায় মোট ১৬ হাজার ২০৪ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রকল্পগুলো অনুমোদনের জন্য পেশ করা হবে। রামপালে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) কর্তৃক বাস্তবায়িতব্য এই সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৯ সালের মার্চের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পের ব্যয়ের মধ্যে বিপিডিবির নিজস্ব তহবিল থেকে ৩৭৪ কোটি টাকা এবং বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন তহবিল থেকে ২ হাজার ১২৩ কোটি টাকা জোগান দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্পের নথিপত্র অনুযায়ী, রামপালে বিপিডিবির মালিকানাধীন অব্যবহৃত জমিতেই এই কেন্দ্রটি নির্মিত হবে, ফলে নতুন করে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন নেই। প্রকল্পের আওতায় ৬৪০ ওয়াট পিক ক্ষমতার সৌর প্যানেল, ৩৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার গ্রিড-টাইড ইনভার্টার, একটি পুলিং সাবস্টেশন এবং ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে। এছাড়া অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। রেলওয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি একনেক সভায় রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে ‘৩০টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ সংগ্রহ’ শীর্ষক একটি প্রকল্পও উত্থাপন করা হবে। ২ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৮১১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা এবং এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) থেকে ঋণ হিসেবে ১ হাজার ৯৫৮ কোটি ৪৮ লাখ ট

২০ দিন আগে