অর্থনীতি

News Image

সোনার দামে বড় পতন, ভরিতে কমল ৬৫৯১ টাকা

দেশে সোনার বাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। এবার সোনার দাম কমেছে প্রতি ভরিতে ৬ হাজার ৫৯১ টাকা। ফলে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম হবে ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা। আজ বুধবার এক বিজ্ঞতিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪২৪ টাকা পড়বে। সবশেষ ৬ জুন সকালে দেশে সোনার দাম সমন্বয় করা হয়। ওই দিন প্রতি ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশে ৭২ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়। যেখানে দাম বৃদ্ধি হয়েছে ৩৭ বার, কমেছে ৩৫ বার। সোনার সঙ্গে কমেছে রুপার দামও। ৩৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৩৩ টাকা নির্ধারণ করেছে বাজুস।

10 Jun 2026, 10:34 AM
News Image

মাথাপিছু আয় ৩ হাজার ডলার ও জিডিপির আকার ৫০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

রেকর্ড উচ্চতায় দেশের অর্থনীতির আকার ও মাথাপিছু আয় দেশের অর্থনীতির ইতিহাসে নতুন মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। প্রথমবারের মতো দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ৩ হাজার মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছে এবং মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ৫০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বুধবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৫–২৬ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় ও জিডিপির সাময়িক হিসাব প্রকাশ করে এই তথ্য জানিয়েছে। বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে মাথাপিছু গড় আয় দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২০ ডলার, যা টাকার অঙ্কে ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৮৭৩ টাকা। আগের অর্থবছরে (২০২৩–২৪) এই আয় ছিল ২ হাজার ৭৬৯ ডলার। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে মাথাপিছু আয় ২৫১ ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া, চলতি অর্থবছরে জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ৫০১ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ৪৫ বিলিয়ন ডলার বেশি। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ২০৩৪ সাল নাগাদ এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, চলতি অর্থবছরে তার অর্ধেক অর্জিত হলো। জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগ পরিস্থিতি বিবিএসের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ। এর আগের অর্থবছরে (২০২৪–২৫) প্রবৃদ্ধি ছিল ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, কৃষি ও সেবা খাতে প্রবৃদ্ধি বাড়লেও শিল্প খাতে তা হ্রাস পেয়েছে। অর্থনীতির ইতিবাচক সূচকের পাশাপাশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে উদ্বেগের তথ্যও উঠে এসেছে। বিবিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জিডিপির অনুপাতে সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের বিনিয়োগ কমেছে। বিশেষ করে বেসরকারি বিনিয়োগের অনুপাত দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৫৩ শতাংশে, যা গত চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। মাথাপিছু আয় ও জিডিপি সম্পর্কে ধারণা বিবিএস জানিয়েছে, মাথাপিছু আয় বলতে কোনো ব্যক্তির একক আয়কে বোঝায় না;

10 Jun 2026, 08:30 PM
News Image

২০২২ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল দেখাতে তমা কনস্ট্রাকশন ও বিটিভি যা করেছিল

২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখানো নিয়ে জটিল অবস্থা তৈরি হয়েছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ওই বছর খেলা দেখানোর সম্প্রচারস্বত্ব কিনেছিল তমা কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের কাছ থেকে। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে এ জন্য তমা কনস্ট্রাকশনকে দিতে হয় ৯৮ কোটি টাকা। কোনো ধরনের প্রতিযোগিতা ছাড়া তমা কনস্ট্রাকশনের কাছ থেকে যাতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) এ প্রচারস্বত্ব কেনা যায়, এ-বিষয়ক প্রস্তাবে তখন নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের নেতৃত্বাধীন অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এবারের বিশ্বকাপের ফুটবল ম্যাচ দেখাতে ফিফা থেকে সরাসরি সম্প্রচারস্বত্ব কিনেছে বিটিভি। এ জন্য ৭৩ কোটি টাকা খরচ হবে। যা আগেরবারের চেয়ে ২৫ কোটি টাকা কম। আজ সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় তা অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। কী হয়েছিল ২০২২ সালে ২০২২ সালের বিশ্বকাপ শুরুর চার দিন আগে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ১৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে তমা কনস্ট্রাকশন থেকে বিটিভির প্রচারস্বত্ব কেনার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু বৈঠক শেষে তা গোপন করা হয় সাংবাদিকদের কাছে। তমা কনস্ট্রাকশনের কাছ থেকে বিটিভির সরাসরি বিশ্বকাপের প্রচারস্বত্ব কেনার প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদনের জন্য ওই বছরের ১৪ নভেম্বর অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে পাঠিয়েছিল তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। সে সময় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ছিলেন হাছান মাহমুদ। ওই প্রস্তাবে হাছান মাহমুদ ফিফা থেকে তমা কনস্ট্রাকশন পর্যন্ত আসার ধারাবাহিকতা তুলে ধরেছিলেন। সেখানে বলা হয়েছিল, বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রচারস্বত্ব ফিফা থেকে প্রথ

07 Jun 2026, 09:00 PM
News Image

আসন্ন বাজেটে আবাসন খাতের চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা ও রিহ্যাবের প্রত্যাশা

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আবাসন খাত একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। প্রায় ২৬৯টি লিংকেজ শিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত এই খাত শুধু আবাসন নির্মাণই করে না, বরং কর্মসংস্থান, শিল্প উৎপাদন, বিনিয়োগ এবং সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধিতেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ ঘোষণার প্রাক্কালে আবাসন খাতের প্রত্যাশা, চ্যালেঞ্জ এবং করণীয় নিয়ে কথা বলেছেন রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল। প্রশ্ন ১: বাজেট ঘোষণার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আবাসন খাতের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা কী? ড. আলী আফজাল: বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় আবাসন খাতকে টেকসই ও গতিশীল রাখতে কিছু নীতিগত সহায়তা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ফ্ল্যাট নিবন্ধন ব্যয় কমানো, আবাসন ঋণে এক অঙ্কের সুদ নিশ্চিত করা, মধ্যবিত্তের জন্য বিশেষ গৃহঋণ তহবিল গঠন, নির্মাণসামগ্রীর ওপর কর হ্রাস, আবাসন খাতে অতিরিক্ত কর ও ভ্যাটের বোঝা কমানো এবং প্রবাসী ও দেশীয় বিনিয়োগ উৎসাহিত করা। আমরা কোনো বিশেষ সুবিধা চাই না। আমরা চাই এমন একটি নীতিগত পরিবেশ, যা সাধারণ মানুষের আবাসন প্রাপ্তি সহজ করবে এবং একই সঙ্গে অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতকে সচল রাখবে। প্রশ্ন ২: অনেকেই বলেন আবাসন খাত শুধু ডেভেলপারদের ব্যবসা। আপনি কেন এটিকে জাতীয় অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন? ড. আলী আফজাল: আবাসন খাতকে শুধু একটি ব্যবসায়িক খাত হিসেবে দেখলে ভুল হবে। একটি ভবন নির্মাণের সঙ্গে রড, সিমেন্ট, ইট, কাচ, সিরামিক, লিফট, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, পরিবহন, ব্যাংকিং, বীমা, স্থাপত্য ও প্রকৌশল সেবাসহ শত শত শিল্প ও সেবা খাত জড়িত। একটি ফ্ল্যাট বিক্রির মাধ্যমে যে অর্থ প্রবাহিত হয়, তা পর্যায়ক্রমে অসংখ্য খাতে ছড়িয়ে পড়ে। অর্থনীতিতে এই বহুমাত্রিক প্রভাবের কারণেই আবাসন খাতকে ‘মাল্টিপ্লায়ার ইফেক্ট’ সৃষ্টিকারী খাত

10 Jun 2026, 10:13 PM

স্বাস্থ্য-পুষ্টি-জনসংখ্যা খাতে ৪০৪ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

News Image

দেশের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে ৪০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ ও অনুদান চুক্তি সই হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) ঢাকায় এ চুক্তি সই হয়। চুক্তি অনুযায়ী, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) বাংলাদেশকে ২৮৪ দশমিক ৭০ মিলিয়ন স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (এসডিআর) বা সমপরিমাণ ৩৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা দেবে। পাশাপাশি, গ্লোবাল ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি (জিএফএফ) থেকে ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান দেওয়া হবে। ফলে মোট অর্থায়নের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ৪০৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে ঢাকাস্থ বিশ্বব্যাংক অফিসের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যাঁ পেসমে ঋণ ও অনুদান চুক্তিতে সই করেন। এই অর্থায়নের আওতায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদে দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এর মধ্যে ‘হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন সার্ভিসেস ইমপ্রুভমেন্ট অ্যান্ড সিস্টেম স্ট্রেনদেনিং প্রজেক্ট’ স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পটির লক্ষ্য হলো দেশের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবার মান ও প্রাপ্যতা বৃদ্ধি, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করা। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা। অন্যদিকে ‘ক্লাইমেট রেসপন্সিভ রিপ্রোডাকটিভ হেলথ অ্যান্ড পপুলেশন সার্ভিসেস ইমপ্রুভমেন্ট অ্যান্ড সিস্টেম স্ট্রেনদেনিং প্রজেক্ট ফর রেজাল্টস’ নামের এক প্রকল্প পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো প্রজনন

10:02 PM

অবৈধ সিগারেটে বছরে রাজস্ব ক্ষতি ২০ হাজার কোটি টাকা

News Image

দেশে অবৈধ সিগারেটের বিস্তার ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র ও বাজার বিশ্লেষকদের হিসাবে, এ খাত থেকে বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে। গত ছয় মাসে অবৈধ সিগারেটের বাজার প্রায় ৩১ শতাংশ বেড়েছে। পাড়া-মহল্লা, গ্রামগঞ্জ, হাটবাজার- সব খানেই বিদেশি, নকল, নিম্ন মানের ও ভ্যাট ফাঁকি দেওয়া অবৈধ সিগারেট ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে উচ্চ স্তরের নকল ও বিদেশি সিগারেটের উপস্থিতি বেশি। বিভিন্ন জরিপে অবৈধ সিগারেটের পরিমাণ ১৮ থেকে ২০ বিলিয়ন শলাকা বলা হলেও সংশ্লিষ্টদের ধারণা, প্রকৃত সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে। ফলে নিয়মিত ভ্যাট প্রদানকারী দেশীয় বৈধ উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রাক-বাজেট আলোচনায় অবৈধ সিগারেটের ভয়াবহ বিস্তার নিয়ে অভিযোগ করেছেন দেশের বড় উৎপাদক প্রতিষ্ঠান বিএটিবি, জেটিআই ও আবুল খায়ের টোবাকোর প্রতিনিধিরা। তাদের বক্তব্য, অবৈধ সিগারেটের বাজার দখল রোধ করা না গেলে সিগারেট খাতে বৈধ ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান, ব্রাজিল, মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মতো বাংলাদেশের সিগারেট খাতও একসময় চোরা কারবারি ও অবৈধ সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে। বৈধ কারখানা মালিকদের দাবি, ইলিসিট বা অবৈধ সিগারেট ঠেকাতে এনবিআরকে আরো কঠোর ও ধারাবাহিক হতে হবে। যথাযথ নীতিমালা তৈরি করতে হবে। কারণ অবৈধ সিগারেটের বিস্তার শুধু বৈধ উৎপাদকদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। তাদের মতে, বাজারে অবৈধ সিগারেটের সরবরাহ বন্ধ করা গেলে বৈধ সিগারেটের বিক্রি বাড়ে এবং সরকারের রাজস্ব আদায়ও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়। গত বছর এ ধরনের কঠোর নজরদারি ও অভিযান চালিয়ে বাস্তব প্রমাণ পাওয়া গেছ

10:00 PM

ওয়েল গ্রুপের সিইও নুরুল ইসলাম গ্রেপ্তার

News Image

‎বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত একটি হত্যা মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে ওয়েল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সৈয়দ নুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত সোমবার রাত সোয়া ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশান-২ এলাকার হোটেল ওয়েস্টিনের সামনে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হলে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আজ ‎বুধবার দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দাউদ হোসেন। ‎তিনি বলেন, গুলশান থানায় দায়ের হওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট একটি হত্যা মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে সৈয়দ নুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

03:06 PM

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট: রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ও করকাঠামোর সম্ভাব্য পরিবর্তন

News Image

রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ও পরোক্ষ করের ওপর নির্ভরতা আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের মোট আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এনবিআর পরোক্ষ করের ওপরই সবচেয়ে বেশি ভরসা রাখছে। বর্তমানে দেশের মোট রাজস্বের প্রায় ৮০ শতাংশই আসে ভ্যাট, শুল্ক ও উৎসে করের মতো পরোক্ষ কর থেকে। আগামী অর্থবছরে শুধু ভ্যাট থেকেই ২ লাখ ২৩ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা এনবিআরের মোট লক্ষ্যমাত্রার ৩৭ শতাংশ। করকাঠামো নিয়ে উদ্বেগ ও অর্থনীতিবিদদের পর্যবেক্ষণ অর্থনীতিবিদদের মতে, বাংলাদেশের করকাঠামো মূলত পরোক্ষ করনির্ভর, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। গবেষণায় দেখা গেছে, দরিদ্র মানুষ তাদের আয়ের ১২ দশমিক ১ শতাংশ ভ্যাট হিসেবে ব্যয় করে, যেখানে ধনীদের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ৫ দশমিক ৯ শতাংশ। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান এবং বিশ্বব্যাংকের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেনের মতে, কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে ভ্যাট বৃদ্ধির চেয়ে করজাল সম্প্রসারণ, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কর ফাঁকি রোধে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বাজেটে কর ছাড় ও পরিবর্তনের প্রস্তাবনা সাধারণ করদাতাদের স্বস্তি দিতে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৩ লাখ থেকে বাড়িয়ে পৌনে ৪ লাখ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব আসতে পারে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের আয় করমুক্ত রাখার ঘোষণা আসতে পারে। ব্যবসায়ীদের জন্য ব্যবসা সহজীকরণ বা ‘ডি-রেগুলেশন’ এবং লাইসেন্স নবায়ন

01:53 PM