বলিউড

আইনিভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন অর্জুন রামপাল ও গ্যাব্রিয়েলা দেমেত্রিয়াদেস

অর্জুন রামপাল ও গ্যাব্রিয়েলা দেমেত্রিয়াদেস। ইনস্টাগ্রাম থেকে
অর্জুন রামপাল ও গ্যাব্রিয়েলা দেমেত্রিয়াদেস। ইনস্টাগ্রাম থেকে

গোয়ায় আইনি বিয়ে সম্পন্ন করলেন অর্জুন-গ্যাব্রিয়েলা

দীর্ঘদিনের সঙ্গী গ্যাব্রিয়েলা দেমেত্রিয়াদেসের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন বলিউড অভিনেতা অর্জুন রামপাল। কোনো জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান নয়, বরং গোয়ার মাপুসার সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাঁরা বিয়ে নিবন্ধন করেছেন। সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গোয়ার ইউনিফর্ম সিভিল কোডের আওতায় এই দম্পতি তাঁদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। স্থানীয় আইন অনুযায়ী বিয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় স্বাক্ষরের মধ্যে ১৫ দিনের অপেক্ষার বিধান থাকলেও, বিশেষ অনুমতির মাধ্যমে তাঁরা এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। বিয়ের দিন কোনো বিশেষ সাজসজ্জা ছাড়াই সাদামাটা পোশাকে ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে তাঁরা কার্যালয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন।

অর্জুন রামপাল ও গ্যাব্রিয়েলা দেমেত্রিয়াদেস। ইনস্টাগ্রাম থেকে
অর্জুন রামপাল ও গ্যাব্রিয়েলা দেমেত্রিয়াদেস। ইনস্টাগ্রাম থেকে

ছয় বছরের সম্পর্ক ও পরিবার

২০১৮ সালে অর্জুন ও গ্যাব্রিয়েলার সম্পর্কের সূচনা হয়। দীর্ঘ ছয় বছরের এই পথচলায় তাঁরা দুই সন্তানের অভিভাবক হয়েছেন—২০১৯ সালে তাঁদের প্রথম সন্তান এরিক এবং ২০২৩ সালে দ্বিতীয় সন্তান এরিভের জন্ম হয়। এর আগে ২০২৫ সালে অর্জুন তাঁদের বাগ্‌দানের বিষয়টি প্রকাশ্যে এনেছিলেন। অবশেষে ২০২৬ সালে এসে তাঁদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আইনি স্বীকৃতি পেল।

আবার বিয়ে করলেন সোহানা সাবা

বিয়ের বিষয়ে অর্জুনের দৃষ্টিভঙ্গি

বিয়ের আগে অর্জুন রামপাল একাধিকবার জানিয়েছিলেন যে, তাঁদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিয়ের আইনি কাগজ খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি মনে করতেন, বিয়ের কাগজ সম্পর্কের স্বাভাবিকতাকে বদলে দিতে পারে। তাঁর মতে, তাঁরা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে আগেই বিবাহিত জীবন যাপন করছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁরা আইনি স্বীকৃতির পথেই হাঁটলেন।

অর্জুন রামপাল ও গ্যাব্রিয়েলা দেমেত্রিয়াদেস। ইনস্টাগ্রাম থেকে
অর্জুন রামপাল ও গ্যাব্রিয়েলা দেমেত্রিয়াদেস। ইনস্টাগ্রাম থেকে

অর্জুনের আগের দাম্পত্য জীবন

গ্যাব্রিয়েলার সঙ্গে সম্পর্কের আগে অর্জুন রামপাল মডেল ও সাবেক মিস ইন্ডিয়া মেহর জেসিয়ার সঙ্গে ২১ বছর সংসার করেছেন। ১৯৯৮ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই দম্পতির মাহিকা ও মাইরা নামে দুই মেয়ে রয়েছে। ২০১৯ সালে অর্জুন ও মেহরের বিচ্ছেদ হলেও, আগের সংসারের সন্তানদের সঙ্গে অর্জুনের সম্পর্ক বরাবরই ঘনিষ্ঠ। নতুন জীবন শুরুর পাশাপাশি আগের সংসারের সন্তানদের প্রতিও তিনি সমান দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছেন।