জাতীয়

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় সেনা হেফাজতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ সেনা হেফাজতে: আইএসপিআর
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ায় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয় বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সামি-উদ-দৌলা চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ বর্তমানে বরিশাল সেনানিবাসের স্টেশন কমান্ডার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করতেই তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী নির্ধারিত তারিখে তাঁকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে।

কাউন্সিলর একরাম হত্যা: শেখ হাসিনা-বেনজীর-বদির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে কক্সবাজারের টেকনাফে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি একরামুল হক। ওই ঘটনার একটি অডিও রেকর্ড ফাঁস হওয়ার পর বিষয়টি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তৎকালীন র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্বরত মিফতাহ উদ্দিন আহমেদসহ ১১ জনকে আসামি করে গত রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করা হয়। মামলার তদন্ত-সংশ্লিষ্ট তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, একরামুল হককে হত্যার সময় ঘটনাস্থলে মিফতাহ উদ্দিন আহমেদসহ অভিযুক্ত কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

এই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষিত নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তালিকায় সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের পাশাপাশি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদের নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল।