রাজনীতি

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলকে যোগ্য মনে করেন আসিফ নজরুল

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নিয়ে নিজের পছন্দের কথা জানালেন আসিফ নজরুল
অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। ফাইল ছবি

রাষ্ট্রপতি পদ ও কর্মসংস্থান নিয়ে আলোচনা

বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ‘সেরা প্রার্থী’ হিসেবে মত দিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। অন্যদিকে, দেশের ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব ও কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ নিয়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রেখেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আজ রোববার শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আজ রোববার শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে
ছবি: প্রথম আলো

রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলকে নিয়ে আসিফ নজরুলের মন্তব্য

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে আসিফ নজরুল বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে দলের হাল ধরা, নির্যাতন সহ্য করা এবং ত্যাগ স্বীকারের বিবেচনায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি পদের জন্য অত্যন্ত যোগ্য। তিনি মির্জা ফখরুলকে ব্যক্তিত্ববান, মডারেট, সদাচারী ও সুবক্তা হিসেবে অভিহিত করেন। আসিফ নজরুল আরও উল্লেখ করেন, দলের ভেতরে আরও যোগ্য প্রার্থী থাকলেও সবদিক বিবেচনায় মির্জা ফখরুলই এগিয়ে থাকবেন। তবে নতুন রাষ্ট্রপতি মনোনয়নের বিষয়ে বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে যে, এ সিদ্ধান্ত দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক থেকেই আসবে।

আমি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: সংবাদ সম্মেলনে স্পিকার

বেকারত্ব ও কর্মসংস্থান নিয়ে মন্ত্রীর উদ্বেগ

এদিকে, রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, দেশে বর্তমানে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা প্রায় চার কোটি। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, চাকরির বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে একটি পদের বিপরীতে পাঁচ থেকে ছয় লাখ পর্যন্ত আবেদন জমা পড়ছে। বর্তমান সরকার এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ বা সৃজনশীল অর্থনীতি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে বলে তিনি জানান।

প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন ও কৃষি উন্নয়ন

মন্ত্রী আরও বলেন, গত ১৭ বছরে দেশের সব প্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেগুলো পুনর্গঠনের কাজ করছে। কৃষিভিত্তিক শিল্পের প্রসারে উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলকে ‘অ্যাগ্রিকালচার হাব’ হিসেবে ঘোষণার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, সরকার ইতিমধ্যে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের সুদ মওকুফ করেছে এবং ‘কৃষক কার্ড’ চালু করেছে।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আবদুল লতিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং জাতীয় সংসদের কয়েকজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।