ফুটবল

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের সেরা গোল নির্বাচিত হলো আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সিদনি কাবরালের গোল

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কেপ ভার্দে ফুটবলারের গোলই বিশ্বকাপের সেরা
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দুর্দান্ত এক গোল করেছেন কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার সিদনি লোপেস কাবরাল। তাঁর গোলটাই ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের সেরা গোল। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের সেরা গোল সিদনি কাবরালের

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা নামার এক সপ্তাহ পর টুর্নামেন্টের সেরা গোলের নাম ঘোষণা করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। বিশ্বজুড়ে ফুটবল ভক্তদের ভোটে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার সিদনি লোপেস কাবরালের করা গোলটি টুর্নামেন্টের সেরা গোল হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। গত ৪ জুলাই মায়ামিতে অনুষ্ঠিত শেষ বত্রিশের ম্যাচে ১০৩ মিনিটে ইয়ানিক সেমেদোর পাস থেকে ডান পায়ের বাঁকানো এক রকেট-শটে তিনি এই গোলটি করেন, যা আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেসের নাগালের বাইরে ছিল।

আর্জেন্টিনার জালে দুর্দান্ত সেই গোলের পর সিডনি কাবরালের উদ্‌যাপন
আর্জেন্টিনার জালে দুর্দান্ত সেই গোলের পর সিডনি কাবরালের উদ্‌যাপন
রয়টার্স

অবিশ্বাস্য এক যাত্রার গল্প

কেপ ভার্দের মতো ছোট একটি দেশের জন্য এই অভিষেক বিশ্বকাপ ছিল রূপকথার মতো। গ্রুপ পর্বে স্পেন, উরুগুয়ে ও সৌদি আরবের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে অপরাজিত থেকে শেষ বত্রিশে জায়গা করে নেয় দলটি। যদিও শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার কাছে ৩-২ গোলে হেরে তাদের স্বপ্নযাত্রা থামে, তবে কাবরালের সেই গোলটি ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিয়েছে। ২০১৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের বেঞ্জামিন পাভারের পর দ্বিতীয় ফুলব্যাক হিসেবে এই খেতাব পেলেন ২৩ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার। এমনকি ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি মার্সেলোও কাবরালের এই গোলটিকে সেরা হিসেবে ভোট দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিশ্বকাপ শেষের এক সপ্তাহ পরই অবসর নিলেন ফাইনালের সেই রেফারি

কাবরালের প্রতিক্রিয়া ও পটভূমি

নিজের গোল সম্পর্কে কাবরাল বলেন, ‘প্রতিপক্ষকে ড্রিবল করে ফাঁকা জায়গা পেয়ে লক্ষ্য স্থির করে শট নিয়েছিলাম। এত বড় মঞ্চে এমন গোল করাটা ছিল অবিশ্বাস্য।’ নেদারল্যান্ডসে জন্ম নেওয়া এই ফুটবলারের উত্থানের গল্পটিও বেশ অনুপ্রেরণাদায়ক। মাত্র তিন বছর আগেও যিনি জার্মানির পঞ্চম বিভাগের ক্লাবে খেলতেন এবং অভাবের কারণে জানালার পর্দায় পলিথিন ব্যবহার করতেন, সেই কাবরালই আজ বিশ্বমঞ্চের নায়ক।

খোলা চিঠিতে সত্য না লুকিয়ে আবেগী এমবাপ্পে

উল্লেখ্য, ফিফার এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কঙ্গোর বিপক্ষে উজবেকিস্তানের এলদর সমুরদোভের গোল এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে মরক্কোর বিপক্ষে হাইতির উইলসন ইসিদোরের গোল।