ভিডিও

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের উত্তাপ: কাস্পিয়ান সাগরে হামলা, উত্তর কোরিয়ার সেনা ও বাংলাদেশী যুবকদের বন্দিদশা

ইউক্রেনে আরও ৩০ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা নামাবে রাশিয়া: জেলেনস্কি
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ছবি: এএফপি

কাস্পিয়ান সাগরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা ও প্রাণহানি

কাস্পিয়ান সাগরে রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনকারী জাহাজে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থা (এসবিইউ) এবং প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ২৫ জুলাই রাতের এই হামলায় ‘পোর্ট ওলিয়া ২’ নামের কার্গো জাহাজসহ বেশ কিছু রুশ নৌযান লক্ষ্যবস্তু করা হয়। ইরান এই ঘটনাকে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর আক্রমণ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং জানিয়েছে যে, হামলায় তাদের একজন নাবিক নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। তেহরান এই ঘটনার কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে ইউক্রেনের প্রতিনিধিকে তলব করেছে।

উত্তর কোরিয়ার সেনা মোতায়েন নিয়ে জেলেনস্কির সতর্কতা

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে লড়তে উত্তর কোরিয়া থেকে আরও ৩০ হাজার অতিরিক্ত সেনা আনার পরিকল্পনা করছে। এর আগে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় প্রায় ১২ হাজার উত্তর কোরীয় সেনা রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। জেলেনস্কির মতে, রাশিয়া উত্তর কোরিয়াকে আধুনিক যুদ্ধকৌশল ও অস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, যা এশিয়ার দেশগুলোর জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে। এছাড়া জেলেনস্কি অভিযোগ করেন, রাশিয়া তাদের স্যাটেলাইট ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক স্থাপনার ওপর নজরদারি চালাচ্ছে এবং সেই তথ্য ইরানকে সরবরাহ করছে।

সীমান্তে সংঘাত ও বেসামরিক প্রাণহানি

যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বেসামরিক প্রাণহানিও বাড়ছে। গত কয়েক দিনে রাশিয়ার সীমান্ত গ্রাম ও ইউক্রেনের খারকিভ, জাপোরিজিয়া ও গরলিভকা অঞ্চলে পাল্টাপাল্টি হামলায় অন্তত ছয়জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এছাড়া রোমানিয়ার আকাশসীমায় রাশিয়ার ড্রোন অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে, যা ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

চাকরির প্রলোভনে গিয়ে ইউক্রেনের কারাগারে বাংলাদেশী যুবক

যুদ্ধের ভয়াবহতার মধ্যে দালালের খপ্পরে পড়ে বিপাকে পড়েছেন বাংলাদেশী যুবকরা। দিন বদলের আশায় রাশিয়ায় পাড়ি জমানো দুই বাংলাদেশী যুবক দালালের প্রলোভনে পড়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তারা ইউক্রেনীয় সেনাদের কাছে আত্মসমর্পণ করেন এবং বর্তমানে ইউক্রেনের কারাগারে বন্দি রয়েছেন।