রাজনীতি

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে বিতর্কিত নিয়োগে জামায়াতের উদ্বেগ ও গ্যাস-সংকট নিরসনের দাবি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
ছবি: জামায়াতের ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে নিয়োগ নিয়ে জামায়াতের আপত্তি

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদে মো. সামসুল আলমকে এক বছরের চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেন, সামসুল আলম অতীতে বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়নে সোচ্চার ছিলেন এবং অবসরের পর বিএনপির একটি কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনায় অতিরিক্ত সচিবের প্রত্যক্ষ ভূমিকা থাকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৬৭ বছর বয়সী একজন সক্রিয় রাজনীতিককে নির্বাচন কমিশনের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেওয়া অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিপন্থী।

বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, এই নিয়োগকে বিএনপির অফিশিয়াল মিডিয়া সেল প্রচার ও উদ্‌যাপন করছে, যা নির্বাচন কমিশনকে বিএনপির আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের চক্রান্তের ইঙ্গিত দেয়। জামায়াত অবিলম্বে এই নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনসহ সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।

দেশের চলমান গ্যাস-সংকট নিয়ে উদ্বেগ

পৃথক এক বিবৃতিতে জামায়াতে ইসলামী দেশের বর্তমান গ্যাস-সংকট নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, এলপিজি ও সিএনজি গ্যাসের তীব্র সংকটের ফলে বাসাবাড়িতে রান্নাবান্না, পরিবহন খাত এবং কলকারখানার উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

গ্যাস-সংকটের পেছনে সরকারের অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম, সিন্ডিকেট এবং অবৈধ গ্যাস-সংযোগকে দায়ী করেছে দলটি। এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, কোনো মহল কৃত্রিম সংকট তৈরি করে গ্যাসের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সংকট নিরসনে নতুন গ্যাসকূপ অনুসন্ধান, বিদ্যমান কূপ থেকে উত্তোলন বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় এলএনজি আমদানির মাধ্যমে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জামায়াত।