জাতিসংঘের কেন্দ্রে ইসরাইলি অভিযান ও তীব্র নিন্দা
দখলীকৃত পশ্চিম তীরের কালানদিয়া ও কাফর আকাব এলাকায় জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ (UNRWA)-এর ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে তল্লাশি চালিয়েছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। প্রায় ১৬ হাজার ফিলিস্তিনি শরণার্থীকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিভিন্ন সামাজিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে পরিচালিত এই কেন্দ্রগুলোতে ইসরাইলি বাহিনীর এমন অভিযানকে আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও জাতিসংঘের প্রস্তাবের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন মানবাধিকারকর্মী ও আইনজীবীরা। হামাস এক বিবৃতিতে এই ঘটনাকে ইসরাইলের ধারাবাহিক আগ্রাসনের অংশ বলে নিন্দা জানিয়েছে। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার কালানদিয়া শরণার্থী শিবিরে অভিযানের সময় ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন-গাভির সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
ইসরাইলি সরকারের অবস্থান ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
সাংবাদিক সারা আবু আলরোবের তথ্যমতে, ইসরাইলি সরকার দীর্ঘদিন ধরেই এসব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বন্ধ বা ভেঙে ফেলার আহ্বান জানিয়ে আসছে। এর আগে পূর্ব জেরুজালেমে ইউএনআরডব্লিউএ-এর প্রধান কার্যালয়েও তল্লাশি চালিয়ে সংস্থাটিকে ভবন খালি করতে এবং কিছু অংশ ভেঙে ফেলতে বাধ্য করেছিল ইসরাইলি বাহিনী। বিশ্লেষকদের মতে, আগামী অক্টোবরে অনুষ্ঠিতব্য ইসরাইলি নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে এমন উসকানিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়ে থাকতে পারে।
অগ্নিনির্বাপণকারীদের বাধা ও গাজায় প্রাণহানি
এদিকে, রামাল্লাহর উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে সেখানে আগুন নেভাতে যাওয়া অগ্নিনির্বাপণকারীদের বাধা দিয়েছে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীরা। বার্তা সংস্থা ওয়াফার প্রতিবেদন অনুযায়ী, অগ্নিকাণ্ডের স্থানে বসতি স্থাপনকারীদের উপস্থিতি ছিল, তবে আগুন তারাই দিয়েছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অন্যদিকে, গাজার খান ইউনিসে ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে একজন ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।