পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নিয়োগ নিয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে হুমায়ুন কবিরের নিয়োগ সংবিধান মেনেই সম্পন্ন হয়েছে এবং এতে আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
গত শুক্রবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন হুমায়ুন কবির। এর আগে তিনি প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে তাঁর শপথ গ্রহণের আগে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। যুক্তরাজ্য বিএনপির একাধিক নেতার দাবি, শৈশব থেকে যুক্তরাজ্যে বেড়ে ওঠা হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিক। যদিও তিনি শপথ নেওয়ার আগে নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার যা করেছে তা সংবিধান মেনেই করেছে। তিনি আরও বলেন, ‘প্রথম কথা হলো আইনে যেটা আছে সেটা আছে। দ্বিতীয় হলো এই সরকার যেটা করেছে সেটা সংবিধান মেনেই করেছে। এখানে ব্যত্যয় কোনো কিছু ঘটেনি। আমরা যা করেছি সাংবিধানিকভাবে করেছি।’
আইনি সহায়তা ও অন্যান্য প্রসঙ্গ
অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আইনি সহায়তাকে মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার হাত ধরেই দেশে সরকারি পর্যায়ে লিগ্যাল এইডের ধারণার সূত্রপাত হয়। যাদের আইনি লড়াই চালানোর আর্থিক সামর্থ্য নেই, রাষ্ট্র তাদের পক্ষে আইনি লড়াই পরিচালনা করবে—এমন লক্ষ্য নিয়েই বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, সমাজকল্যাণসচিব মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন এবং আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা উপস্থিত ছিলেন।