অর্থনীতি

চট্টগ্রাম বন্দরে ৯৩৫ টন খেজুরসহ ১২৬ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করছে কাস্টম হাউস

গতকাল নিলাম-অযোগ্য ও মেয়াদোত্তীর্ণ খেজুরসহ অন্যান্য পণ্য ধ্বংস কার্যক্রম শুরু করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। চট্টগ্রাম বন্দর রিপাবলিক ক্লাবের পেছনে নির্ধারিত স্থানে এ কার্যক্রম চলছে
গতকাল নিলাম-অযোগ্য ও মেয়াদোত্তীর্ণ খেজুরসহ অন্যান্য পণ্য ধ্বংস কার্যক্রম শুরু করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। চট্টগ্রাম বন্দর রিপাবলিক ক্লাবের পেছনে নির্ধারিত স্থানে এ কার্যক্রম চলছে
ছবি: এনবিআরের সৌজন্যে

চট্টগ্রাম বন্দরে নিলাম-অযোগ্য ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস কার্যক্রম শুরু

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা ৯৩৫ টন খেজুরসহ মোট ১২৬ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। মান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়া এবং মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় পরিবেশ ও বন্দরের নিরাপত্তার ঝুঁকি কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোমবার থেকে চট্টগ্রাম বন্দর রিপাবলিক ক্লাবের পেছনে নির্ধারিত স্থানে এই ধ্বংস কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, ধ্বংস করা পণ্যের তালিকায় খেজুরের পাশাপাশি কমলা, পেঁয়াজ, কাজুবাদাম, সোডা অ্যাশ এবং ফিড গ্রেড লাইমস্টোন রয়েছে। এর মধ্যে ৩৪টি কনটেইনারে থাকা ৯৩৫ টন খেজুর গত বছরের শেষ দিকে আমদানি করা হয়েছিল। উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ বিভাগের মান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়ায় এসব খেজুর খালাস করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া ২০১১ ও ২০১৩ সালে আমদানি করা ৪০ কনটেইনার সোডা অ্যাশ এবং ১৮ কনটেইনার ফিড গ্রেড লাইমস্টোনও দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় নিলামের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

এনবিআর জানিয়েছে, পচনশীল ও ক্ষতিকর এসব পণ্য বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন কনটেইনার জট তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে তা পরিবেশ ও বন্দরের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই কার্যক্রম পরিচালনার সময় ফায়ার সার্ভিস, বিজিবি, আনসার এবং স্থানীয় পুলিশ সার্বিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা প্রদান করছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ ও এনবিআর আশা করছে, এই উদ্যোগের ফলে বন্দরের কনটেইনার জট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। বন্দরের পরিবেশ সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিলাম-অযোগ্য এবং ধ্বংসযোগ্য পণ্য পর্যায়ক্রমে অপসারণের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।